1. editor@dailybogratimes.com : dailybogratimes. :
আদমদীঘিতে স্মার্টফোনে আসক্তি বাড়ছে শিশুদের, হুমকিতে ভবিষ্যৎ » Daily Bogra Times
Logo বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মহাদেবপুরে বিষ প্রয়োগে চার বিঘা জমির ধান পুড়িয়ে দেয়ার অভিযোগ আদমদীঘিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উৎযাপন বগুড়ার গাবতলীতে মারপিটে মা-ছেলে আহতঃ থানায় অভিযোগ পার্লামেন্ট মেম্বারস ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটিতে স্থান পেলেন সংসদ সদস্য ড. জান্নাত আরা হেনরী  সারিয়াকান্দিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত গোবিন্দগঞ্জে অটোরিক্সা চালক দুলা মিয়া হত্যাকান্ডে জড়িতদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন  নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে হিলিতে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত  নওগাঁর আত্রাইয়ে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস পালিত নওগাঁর আত্রাইয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণে এমপি সুমনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে প্রখর রোদ, তীব্র গরম ও ঘনঘন লোডশেডিং-এ জনজীবন অতিষ্ঠ কাজিপুরে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় মারধরের শিকার, থানায় অভিযোগ  ফুলবাড়ীর আঁখিরা গণহত্যা দিবস পালনগ ণহত্যার ৫৩ বছর পর প্রথম শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ নওগাঁয় কমেছে সবজির সরবরাহ, আলুর দামে আগুন পরিণীতির বিয়েতে আসেননি প্রিয়াঙ্কা, দুই বোনের সম্পর্কে ফাটল! পাঁচ টাকা কেজির ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়

আদমদীঘিতে স্মার্টফোনে আসক্তি বাড়ছে শিশুদের, হুমকিতে ভবিষ্যৎ

রবিউল ইসলাম, রবিন, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ-
  • মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১৮ বার পঠিত
আদমদীঘিতে স্মার্টফোনে আসক্তি বাড়ছে শিশুদের, হুমকিতে ভবিষ্যৎ
print news

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ শিশুদের স্মার্টফোনে আসক্তি বেড়েই চলেছে। ফলে শিশুদের মানসিক ও স্বাস্থ্য
ঝুঁকি বাড়ছে। অভিভাবকদের অসচেতনতা, খেলাধুলায় সময় না দেওয়া, প্রযুক্তির সহজলভ্যতা, শিশুদের একাকিত্বতা ও
ফোনের অধিক ব্যাবহার এর জন্য দায়ী বলছেন বিশেষজ্ঞরা। শিশুদের এমন অভ্যাস নিয়ে অভিভাবকরাও উদ্বীগ্ন।
উপজেলার সচেতন মানুষ ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিশুদের স্মার্টফোন ব্যবহারের ফলে একটা সময়
এটা অভ্যাসে বা আসক্তিতে পরিণত হয়। অনেক দিন ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে শিশুদের কারও কারও শারীরিক ও
মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়। শারীরিক সমস্যাগুলো হলো- ঘুমের অসুবিধা, পরিপূর্ণ ঘুম না হওয়া, পিঠ, কোমরে কিংবা মাথা
ব্যথা, চোখ ব্যথা বা চোখের জ্যোতি কমে যাওয়া, ওজন বেড়ে যাওয়া, পুষ্টিহীনতা ইত্যাদি রয়েছে।
উপজেলার নশরৎপুর ইউনিয়নের আজিজার রহমানের এক মেয়ে ও দুই ছেলে মাহিদ (৮) জাহিদ (১২) নাদিরা ( ১৫)।
দিনের অধিকাংশ সময় ফোন নিয়ে সময় পার করে৷ খেলাধুলার প্রতি নেই আগ্রহ। মোবাইল নিয়ে গেলেই কান্নাকাটি শুরু
করে। ফোনে অধিক সময় দেওয়াতে তাদের সহপাঠীদের থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। লেখাপড়ার প্রতিও অমনোযোগী। এ
নিয়ে চিন্তিত পরিবার।
স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টে নিয়মিত কাজ করা বিশেষজ্ঞ সূত্রের সাথে কথা বলে জানা জানায়, দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে
শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন রকম মানসিক সমস্যাও দেখা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে- উদ্বিগ্নতা, অসততা, নিজেকে দোষী বোধ করা,
অতিচঞ্চলতা ও হিংসাত্মক আচরণ করা। এসব শিশুরা সারাক্ষণ একা থাকতে ভালোবাসে। ফলে বাইরে যাওয়া, অন্যদের সঙ্গে
মেশা, সামাজিক যোগাযোগ দক্ষতা ও সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলার প্রবণতাও কমে যায়।
শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ নির্ভর করে পরিবেশ ও অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে ভাবের আদান-প্রদানের মাধ্যমে। শিশুরা দেখে এবং
অন্যদের সঙ্গে খেলতে খেলতে সব কিছু শেখে। এক থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিশুদের কথা বলা, হাঁটা-চলা ও
স্বাভাবিক বুদ্ধির বিকাশ হয়। এ সময়ে শিশুর দীর্ঘসময় স্মার্টফোনে গেম খেলা, ভিডিও দেখা, গান শোনা, আবার স্বাভাবিক
খেলাধুলা না করায় শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পাশাপাশি শিশুরা স্মার্টফোনে ভিডিও দেখতে দেখতে খাবার খেলে সেই খাবার শিশুর বিকাশে পর্যাপ্ত ভূমিকা রাখে না।
যেকোন খাবারের হজম প্রক্রিয়া শুরু হয় মুখের লালা থেকে। খাবার হজম হতে যেমন লালা প্রয়োজন, ঠিক তেমনি মুখে লালা
আসার জন্য খাবারটা দেখতে হয়, খাবারে মনোযোগ দিতে হয়। যেমন টক জাতীয় খাবার দেখলেই মুখে লালা আসে। বাচ্চারা
যখন ভিডিও দেখতে দেখতে খায়, সে যদি খাবারটা না দেখে তাহলে মুখে লালা আসে না। লালা না এলে হজম প্রক্রিয়ার কিছু
অংশ অসমাপ্ত রয়ে যায়। ফলে যেসব বাচ্চারা মোবাইলে ভিডিও দেখতে দেখতে খায় তাদের হজমে সমস্যা হয়, এতে বাচ্চাদের
অনেক সময় ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য হয়।
সান্তাহার নাহার মেডিকেয়ারের চিকিৎসক ডাঃ হামিদুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, শিশুদের মধ্যে
মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেকাংশেই বেশি। গ্রামাঞ্চল থেকে শহরাঞ্চলের শিশুরা বেশি মোবাইল ব্যবহার করে। দেখা
যাচ্ছে, এক-দুই বছরের বাচ্চারা বেশি মোবাইল ফোনে আসক্ত হচ্ছে। এক-দেড় বছরে বাচ্চারা কিছু কথা বলা শুরু করে। এ
সময়টায় মোবাইলে আসক্ত হলে কথাগুলো হারিয়ে যায়, স্পিচ ডিলে সমস্যা, আবার অনেক বাচ্চা কথাই বলে না।

প্রথম পাঁচ বছর একটি বাচ্চার স্বাভাবিক বিকাশ ঘটে। হাঁটা, বসা, চলা, কথা বলা ও বুদ্ধি হওয়া এগুলোর সবই তিন থেকে
পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যায়। এ সময়টাকে যদি কাজে লাগানো না যায় তাহলে সেটা আর কখনোই ফিরে আসবে না। এ
বয়সেই বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশ ও সব ধরনের বৃদ্ধি ঘটে। পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ফলে
কথা বলতে, মস্তিষ্কের বিকাশে ও আচরণগত বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে।

এনাম হক / ডেইলি বগুড়া টাইমস

আরো খবর
https://dailybogratimes.com/
© All rights reserved by Daily Bogra Times  © 2023
Theme Customized BY LatestNews