1. editor@dailybogratimes.com : dailybogratimes. :
ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হবে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন  » Daily Bogra Times বগুড়া টাইমস
Logo বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
পাসপোর্ট তালিকায় বাংলাদেশ ৯৭তম, শীর্ষে সিঙ্গাপুর যুক্তরাজ্যে আপসানাসহ লেবার পার্টির ৭ এমপি বরখাস্ত সান্তাহারে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও জীবনিস্থাপন ইন্টারনেটহীন সময়ে অনেকেই বই পড়ায় ফিরে গিয়েছে : মোশাররফ করিম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পরিবেশ এখনো হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী কম যাত্রী নিয়েই রাজধানী থেকে ছাড়ছে দূরপাল্লার বাস কয়েকজন শিক্ষার্থী এখনো নিখোঁজ : জিএম কাদের রাতেই চালু ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, রোববারের মধ্যে মোবাইল ডাটা গুলিবিদ্ধ তানজিন তিশার সহকারী আলামিন ৩১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত পিএসসির সব পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ প্রাথমিক বিদ্যালয় নবরুর লাইফস্টাইল দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে : সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বাংলাদেশে বাইরে বের না হতে ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কতা জারি কমপ্লিট শাটডাউনে সুন্দরগঞ্জে সড়কে শিক্ষার্থীরা

ভূমি উন্নয়ন কর আদায় হবে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন 

নিউজ ডেস্কঃ-
  • রবিবার, ৩০ জুন, ২০২৪
  • ১৮ বার পঠিত
আগামীকাল সোমবার (১ জুলাই) থেকে ভূমি উন্নয়ন করের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল হবে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।
print news

আগামীকাল সোমবার (১ জুলাই) থেকে ভূমি উন্নয়ন করের নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুযায়ী, ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল হবে প্রতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।

আজ রবিবার (৩০ জুন) ভূমি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দ মো. আব্দুল্লাহ আল নাহিয়ানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই পরিবর্তনের মাধ্যমে ভূমি উন্নয়ন করে আদায় ব্যবস্থাপনাকে জাতীয় অর্থ বছরের সঙ্গে সমন্বিত করা হয়েছে। আগে ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সময়কাল ছিল বাংলা সনের ১ বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত। আশা করা যাচ্ছে, জাতীয় অর্থ বছরের সঙ্গে সমন্বয়ের ফলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ভূমি মালিকের ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান সম্পর্কিত হিসাব ব্যবস্থাপনা অধিকতর সহজ ও গতিশীল হবে। এছাড়া, জাতীয় অর্থনীতিতে ভূমি উন্নয়ন করের প্রভাব নির্ণয় অধিকতর সুবিধাজনক হবে।

এ ব্যাপারে ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ গত ৮ জুন ভূমিসেবা সপ্তাহ ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, এই নতুন পদ্ধতি আমাদের দেশের ভূমি রাজস্ব আহরণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আনবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে এই নতুন যাত্রায় সফল হই। বর্তমান পরিবর্তনটি ভূমি উন্নয়ন করের আদায় প্রক্রিয়াকে অধিকতর সুষম, স্বচ্ছ ও কার্যকর করবে বলে আমরা মনে করি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা উদ্বোধন করেন। পহেলা বৈশাখ ১৪৩০ (১৪ এপ্রিল ২০২৩) থেকে সারা দেশব্যাপী ভূমি উন্নয়ন কর শতভাগ অনলাইনে আদায় করা হচ্ছে। ভূমি (উন্নয়ন) কর ব্যবস্থার জন্য আন্তর্জাতিক উইসিস পুরস্কার-২০২২ অর্জন করে ভূমি মন্ত্রণালয়। ভূমি উন্নয়ন কর ডিজিটালাইজেশনের ফলে ভূমি খাতে রাজস্ব আদায়ের হার আগের চেয়ে তিন গুণ বা ২০০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূমিমন্ত্রীর নির্দেশে ভূমি সচিব মো. খলিলুর রহমানের তত্ত্বাবধানে ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থা স্মার্ট করার কাজ হচ্ছে।

মুঘল বাংলায় ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে প্রথম বাংলা সন গণনা করা হয়। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে খাজনা আদায়ে এই গণনা কার্যকর শুরু হয়েছিল ১৫৫৬ সাল থেকে (পূর্বের তারিখে দেখিয়ে)। কালক্রমে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমল হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশেও বাংলা সনের হিসাবেই জমির খাজনা তথা ভূমি কর নেওয়া হতো। ১৫৮৪ প্রায়োগিক সাল ধরলে সময়ের প্রয়োজনে প্রায় ৪৪০ বছর পর ভূমি কর আদায়ের সময় পরিবর্তন হচ্ছে।

ভূমি উন্নয়ন কর হালসনের হিসাব অনুযায়ী পরিশোধ করতে হয়। অর্থাৎ, প্রতি বছরের ভূমি উন্নয়ন কর এই বছরের ৩০ জুনের মধ্যে জরিমানা ব্যতীত আদায় করা যাবে। কৃষিকাজের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি জমির মোট পরিমাণ ৮ দশমিক ২৫ একর বা ২৫ বিঘা পর্যন্ত হলে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে না। তবে এই জমির পরিমাণ ২৫ বিঘার বেশি হলে সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ওপর ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে। 

অন্যদিকে, অকৃষি ভূমিকে ব্যবহারভিত্তিক বাণিজ্যিক, শিল্প এবং আবাসিক ও অন্যান্য শ্রেণিতে বিভাজন করে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, অকৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর হার নির্ধারণ ও পুনঃনির্ধারণ করে ভূমি উন্নয়ন কর আদায় করে থাকে। এছাড়া, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যেকোনো ব্যক্তি বা যেকোনো শ্রেণির ব্যক্তিবর্গ অথবা কোনো সংস্থাকে উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত শ্রেণি ও পরিমাপের কৃষি বা অকৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ করতে পারবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থার এপিএ স্বাক্ষর

আজ রবিবার (৩০ জুন) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারের কর্মসম্পাদন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির আওতায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এর আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থার ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহম্মদ ইব্রাহিম, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস সবুর মন্ডল বিপিএএ, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক মো. আরিফ ও হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) দপ্তরের হিসাব নিয়ন্ত্রক (রাজস্ব) নাহিদা আলম নিজ নিজ দপ্তর/সংস্থার পক্ষে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এপিএ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 

অপরপক্ষে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালনরত অতিরিক্ত সচিব জিয়াউদ্দীন আহমেদ এনডিসি ভূমি মন্ত্রণালয়ের পক্ষে স্বাক্ষর করেন। এপিএ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয় ও আওতাভুক্ত দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এনাম হক / ডেইলি বগুড়া টাইমস

আরো খবর
© All rights reserved by Daily Bogra Times  © 2023
Theme Customized BY LatestNews