1. editor@dailybogratimes.com : dailybogratimes. :
মেয়রের পর শেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা ও কাউন্সিলর কেও বরখাস্ত » Daily Bogra Times
Logo রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ১২:১২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
দেশেই রাসায়নিক কারখানা তৈরি করতে চান ব্যবসায়ীরা কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ টাকা ছারলো আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম বগুড়ার দুই হিমাগারে এক লাখ ৮ হাজার ডিম জব্দ ১০ ‍দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ প্যালেস্টাইনে ইসরায়েলি নৃশংসতা গণহত্যার প্রতিবাদে নওগাঁয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংহতি সমাবেশ পাঁচবিবিতে শেষ মুহূর্তে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী রেবেকা সুলতানার গণসংযোগ  বদলগাছীতে ভর্তুকিতে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরন  যে সাহাবির তিলাওয়াত শুনতে ভিড় জমিয়েছিলেন ফেরেশতারা মহাদেবপুরে ধানক্ষেত থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী যুবকের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার মোটরসাইকেল কিনে না দেয়ায় বাবা-মায়ের উপর অভিমান করে কিশোরের আত্মহত্যা  রাজশাহী জেলা পরিষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ কাজের শুভ সূচনা আমি লজ্জিত নই বিষয়টি নিয়ে :জেফার বিশ্বকাপ জার্সি উন্মোচন কবে, যা বললেন জালাল ইউনুস  মজাদার ক্ষীর তৈরি করুন আম দিয়েই

মেয়রের পর শেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা ও কাউন্সিলর কেও বরখাস্ত

শেরপুর, বগুড়া প্রতিনিধিঃ-
  • সোমবার, ১৩ মে, ২০২৪
  • ২৫ বার পঠিত
মেয়রের পর শেরপুর পৌরসভার কর্মকর্তা ও কাউন্সিলর কেও বরখাস্ত
print news

শেরপুর, বগুড়া প্রতিনিধিঃ- দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার মেয়র জানে আলম খোকার পর পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরোজ মুজিব ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফিরোজ আহম্মেদ জুয়েলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে

পৌরসভার প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের জন্য ১ নম্বর প্যানেল মেয়র নাজমুল আলমকে মেয়রের আর্থিক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে

সোমবার (১৩ মে) স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আবদুর রহমান স্বাক্ষরিত আরেকটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, সাত লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শেরপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরোজ মুজিব ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফিরোজ আহমেদ জুয়েলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শেরপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, সোমবার (১৩ মে) প্রজ্ঞাপনের কপি ওয়েবসাইটে দেখে বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছেন তাঁরা।

বরখাস্ত হওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় ইমরোজ মুজিব বলেন, ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের সঙ্গে তিনি জড়িত নন। তিনি দাবি করেন, তাঁর স্বাক্ষর জাল করে টাকা আত্মসাৎ করেছে অন্য কেউ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে লিখিতভাবে জবাব দেবেন তিনি।

অন্যদিকে কাউন্সিলর ফিরোজ উদ্দীন আহমেদের মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ কারণে তাঁর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এরআগে রোববার (১২ মে) স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. আবদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে মেয়র মো. জানে আলমের বিরুদ্ধে পৌরসভার দোকান বরাদ্দের নামে অর্থ আত্মসাৎ, বিধিবহির্ভূতভাবে বাস টার্মিনালের ইজারা মওকুফ, অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মাস্টাররোলে কর্মচারী নিয়োগ, জিপগাড়ি মেরামতের নামে অতিরিক্ত বিল পরিশোধ, ২২৮টি দোকান বরাদ্দ না দেওয়া, পৌরসভার বিভিন্ন ক্রয়ে দুর্নীতি ও অনিয়ম, পৌরসভার গৃহকর মূল্যায়নে দুর্নীতি, ইমারত ও ভূমির ওপর অতিরিক্ত কর আদায়সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য তাঁকে মেয়রের পদ থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।

পৌরসভা–সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেরপুর পৌরসভার সান্যালপাড়া এলাকার বাসিন্দা নাজমুল হক গত বছরের ১৬ এপ্রিল স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দেন। সেখানে তিনি পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ২১টি বিষয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরেন। অভিযোগের তদন্তের জন্য রাজশাহী বিভাগের স্থানীয় সরকার পরিচালকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে কিছু অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ২৭ মার্চ মেয়রকে কারণ দর্শানোর চিঠি দিয়েছিল তদন্ত কমিটি।

এনাম হক / ডেইলি বগুড়া টাইমস

আরো খবর
© All rights reserved by Daily Bogra Times  © 2023
Theme Customized BY LatestNews