# ইফতারের প্লেটে ঝাল, কাঁচামরিচের কেজি ২২০ টাকা

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9d%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9a%e0%a6%be/
- Published: 2026-02-20T17:42:06+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

পবিত্র মাহে রমজানের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর বাজারমুখো ক্রেতাদের জন্য আতঙ্কের নাম এখন
কাঁচামরিচ। সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের প্লেটে একটু কাঁচামরিচের কামড় দেওয়া অনেকের জন্য
অভ্যাস। কিন্তু সেই অভ্যাস এখন বিলাসিতায় পরিণত হয়েছে। দাম বেড়েই চলেছে এই পণ্যটির।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মানভেদে প্রতি কেজি
কাঁচামরিচ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহখানেক আগেও যে কাঁচামরিচ পাওয়া যাচ্ছিল
১০০-১২০ টাকায়, আজ তা প্রায় দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

ধানমন্ডি, রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হ[ল মার্কেটে সরে](http://ইফতারের প্লেটে ঝাল, কাঁচামরিচের কেজি ২২০ টাকা)
জমিনে দেখা যায়, প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কাঁচা-পাকা মরিচ
বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

সবজি কিনতে আসা রোকসানা বেগম বলেন, ‘প্রতি দিনই তো মরিচ লাগে। ইফতারিতে বেগুনি, চপের
সাথে একটু মরিচ তো চাই-ই। কিন্তু ২২০ টাকা কেজি! এ দামে তো আর কেনা সম্ভব না। যা নেই,
সেটা দিয়ে চলতে হবে।’

কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা মো. কাউসার ইসলাম বলেন, ‘আমরাও চাই কম দামে বিক্রি করতে। 
কিন্তু পাইকারি বাজার থেকে কিনতে হচ্ছে ১৮০-২০০ টাকায়। তার সঙ্গে পরিবহন খরচ যোগ করে
বিক্রি করতে গেলে ২২০ টাকা তো হবেই।’

মহাখালী বাজারে ফুটপাতে বসা বিক্রেতা আবুল কায়সার বলেন, ‘দোকান ভাড়া নেই, তাই একটু 
কম দামে দিতে পারি। আমি কাঁচামরিচ ১৬০ টাকায় বিক্রি করছি। কিন্তু তার পরও অনেকে কিনতে
পারছেন না।’

ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানে ইফতারি সামগ্রীর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কাঁচামরিচের দাম বেড়েছে।
সেই সঙ্গে সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় দাম আরও বাড়তি। তবে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দাম কমে
আসতে পারে বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে কাঁচামরিচের পাশাপাশি লেবু, বেগুন, শসার দামও বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। সপ্তাহের
ব্যবধানে তিনগুণ বেড়ে প্রতি হালি লেবু ১০০-১২০ টাকায় পৌঁছেছে। বেগুনের কেজি ১৬০ টাকা
আর শসা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

ইফতারের প্লেটে ঝাল থাকলেও দামের ঝালে পুড়ছে ক্রেতারা। বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসনের
হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সাধারণ মানুষ।
