#  ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, বসতে রাজি ট্রাম্প

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%82%e0%a6%9f%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%be/
- Published: 2026-02-16T18:57:54+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

**আন্তর্জাতিক ডেস্ক:** ইরানকে কখনোই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া হবে না বলে
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)
ব্লুমবার্গ নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন এবং ইরানের পরমাণু কর্মসূচি
নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন।

সাক্ষাৎকারে রুবিও বলেন, “ইরান পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের
অবস্থান শুরু থেকেই স্পষ্ট। ইরানের হাতে পরমাণু বোমা এলে তা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক
নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করবে।”

তবে তিনি ইঙ্গিত দেন, ইসরায়েল ইস্যু বা আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে ইরানের সঙ্গে অন্যান্য
বিরোধপূর্ণ বিষয়গুলো কূটনৈতিক পথে সমাধানের পক্ষে ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, “এর বাইরে ইরানের
সঙ্গে আমাদের যেসব ইস্যু আছে, সেগুলো আমরা কূটনৈতিক পন্থায় মিটিয়ে ফেলতে আগ্রহী।”

ব্লুমবার্গকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে মার্কো রুবিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈদেশিক
নীতির দর্শন নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি জানান, ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা
সমাধানে বিশ্বাসী এবং প্রেসিডেন্ট নিজেও বৈঠক করতে দ্বিধাবোধ করেন না।

“জাতিরাষ্ট্রগুলোর পরস্পরের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করা প্রয়োজন। আমি এমন একজন প্রেসিডেন্টের
নেতৃত্বাধীন প্রশাসনে কাজ করছি, যিনি মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে, তাদের সঙ্গে কথা 
বলতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে তার কোনো বাধা নেই,” বলেন রুবিও।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ির সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য
বৈঠক প্রসঙ্গে রুবিও মন্তব্য করেন, “আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আগামীকাল
যদি আয়াতুল্লাহ বলেন যে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষা[ৎ করতে চান, তা](http://ইরানের সাথে কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, বসতে রাজি ট্রাম্প)
হলে প্রেসিডেন্ট তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তিনি আয়াতুল্লাহর সঙ্গে সব বিষয়ে একমত—এমনটা
মনে করার কোনো কারণ নেই। তিনি সাক্ষাৎ করবেন কারণ তিনি মনে করেন এ পৃথিবীতে এভাবেই 
বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে হয়।”

উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনা চলছে
ওয়াশিংটনের। ২০১৬ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত
হওয়ার পর এ উত্তেজনা বাড়তে থাকে। ২০২৪ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত 
হওয়ার পর দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা আরও চরম আকার ধারণ করে।
