# ইরানের সেই পালস প্লাজমা ইঞ্জিনের গোপন অস্র দিয়ে ইসরায়েলে হামলা

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%b8-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%ae%e0%a6%be-%e0%a6%87/
- Published: 2026-03-04T09:21:39+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

**আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-:** ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ‘
অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৬তম ধাপ সম্পন্ন করেছে। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-আমেরিকার
পুনরাবৃত্ত আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, তাদের মহাকাশ বিভাগ “দখলদার অঞ্চলের
হৃদয় ও উত্তর অংশে” কার্যকর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু
হিসেবে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর জেনারেল স্টাফ, হাকিরিয়ায় অবস্থিত যুদ্ধ মন্ত্রণালয়,
বনে ব্রা[কে অবস্থিত](http://ইরানের সেই পালস প্লাজমা ইঞ্জিনের গোপন অস্র দিয়ে ইসরায়েলে হামলা)
কৌশলগত স্থাপনা, তেল আবিবের উত্তর-পূর্বে বেইত হাকফায় সামরিক ঘাঁটি এবং পশ্চিম গ্যালিলির
একটি সামরিক কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্র ও মাঠপর্যায়ে পর্যবেক্ষণের বরাত দিয়ে আইআরজিসি জানিয়েছে, এই পাল্টা
হামলার চতুর্থ দিনে ইসরায়েলের ৬৮০ জনের বেশি সামরিক সদস্য নিহত ও আহত হয়েছে।

ইরানের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দখলদার অঞ্চলের বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় “অপারেশনাল
দুর্বলতা, প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও গণনাগত সক্ষমতা হ্রাস” ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর অনুপ্রবেশ
ও লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পথ উন্মুক্ত করে দিয়েছে। দখলদার অঞ্চলের হৃদয় থেকে ধোঁয়া
ও ধুলো উড়তে থাকার ঘটনা ইরানের শক্তিশালী আঘাতের প্রমাণ বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “শিশুহত্যাকারী শত্রুদের সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো ধ্বংস না
করা পর্যন্ত আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

পৃথক এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানিয়েছে, তাদের স্থল বাহিনী ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের
বিরুদ্ধে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে। তারা তিনটি সমন্বিত অভিযান পরিচালনা ও ২৩০টি 
ড্রোন নিক্ষেপের কথা জানিয়েছে।

এই অভিযানের অংশ হিসেবে ইরাকের আরবিলে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা, উত্তর ইরাকে সন্ত্রাসী
গোষ্ঠীর অবস্থান ধ্বংস এবং কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন নিক্ষেপের কথাও জানানো হয়েছে।

অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪-এর অংশ হিসেবে ইরানি বাহিনী এই অঞ্চলে শত্রুদের সংবেদনশীল ও 
কৌশলগত ঘাঁটিতে “ভারী ও বিধ্বংসী আঘাত” হেনেছে বলে জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক
কমান্ড ইউনিট খাতাম আল-আম্বিয়া সদর দপ্তর। আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক অভিযান
এই সদর দপ্তর থেকে সমন্বয় করা হয়।
