# ইরানের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসবে নেই স্বাভাবিক আমেজ

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%87%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%9b%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%90%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a7%8d/
- Published: 2026-03-20T15:56:05+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

প্রতিবছরের মতো নওরোজকে ঘিরে ইরানের বাজারগুলো সাধারণত জমজমাট থাকত। নতুন পোশাক, নানা
ধরনের মিষ্টি ও খাবার কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়তেন মানুষজন। হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী 
এই উৎসব—নওরোজ, যার অর্থ ‘নতুন দিন’—বসন্তের প্রথম দিনকে স্বাগত জানায় এবং এটি ইরানসহ
বিশ্বজুড়ে পারস্য সংস্কৃতির মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিবিসির খবর।

তবে এ বছর চিত্রটা ভিন্ন। যদিও বাজার খোলা রয়েছে, তবুও মানুষের মধ্যে স্বা[ভাবিক উৎ](http://ইরানের হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী উৎসবে নেই স্বাভাবিক আমেজ)
সবের আমেজ নেই। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় রাজধানী তেহরান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত
হওয়ায় অনেকেই সেখানে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন।

তেহরানের উত্তর-পূর্বে দামাভান্দের পঞ্চাশোর্ধ্ব নারী মিনা জানালেন তাদের বর্তমান অবস্থার
কথা। তিনি বলেন, ‘আমরা এ সময় প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত থাকতাম… ঘর পরিষ্কার করা, নতুন 
জামাকাপড়, মিষ্টি আর নাস্তা কেনা।’

মিনা বলেন, ‘এ বছর? প্রত্যেকটা দিন অনেক লম্বা মনে হচ্ছে। যেন আমি সময়ের হিসাব হারিয়ে
ফেলেছি।’

নওরোজ, যার অর্থ ‘নতুন দিন’, হলো একটি ঐতিহ্যবাহী উৎসব যা ইরান এবং অন্যান্য দেশে নতুন
বছরের সূচনাকে চিহ্নিত করে। ইরানের এই উৎসবটির ইতিহাস তিন হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো,
যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন উৎসবে পরিণত করেছে।

যুদ্ধের আশঙ্কা ও অনিশ্চয়তার কারণে এবারের নওরোজ প্রস্তুতিতে আনন্দের চেয়ে উদ্বেগই 
বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। তবুও ঐতিহ্য ধরে রাখতে সীমিত পরিসরে উৎসবের প্রস্তুতি চালিয়ে
যাচ্ছেন ইরানিরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক সংকট ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যেও ইরানের মানুষ যেন নিজেদের
সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলতে না চান, তা এই সীমিত আয়োজনে স্পষ্ট।
