
দীর্ঘদিন স্থিতিশীল থাকলেও ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পোলাওয়ের চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। শুধু প্যাকেটজাত চালই নয়, স্থানীয় বাজারে খোলা বাসমতি চালের দামও বেড়েছে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।
সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ভালোমানের বাসমতি চাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি দরে। কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে চিনিগুড়া চাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। কিছুদিন আগেও যে প্যাকেটে এক কেজি চাল বিক্রি হতো ১৬০ টাকায়, এখন সেই দর আরও ১৫ টাকা বেড়েছে।
রোজার মাঝামাঝি সময় থেকে এ দাম বৃদ্ধির ঘটনা চলছে। তবে আড়তদারদের দাবি, আমদানি বন্ধ রয়েছে এবং উৎপাদনের পরিমাণও কমেছে। অন্যদিকে দাম বৃদ্ধির জন্য নজরদারির দুর্বলতাকেই দায়ী করছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, বাড়তি চাহিদার সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে রাজধানীর পাশাপাশি কুষ্টিয়ার বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। রমজান শুরুর আগে যে বাসমতি চালের দাম ছিল ১২০ টাকা কেজি, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা কেজি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে চালের চাহিদা বাড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক না থাকায় দামের এই অস্থিরতা চলছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে ভোক্তা অধিদপ্তরের কার্যকর নজরদারি জরুরি বলে মনে করছেন ক্রেতা ও অভিভাবক মহল।