
ডেস্ক প্রতিবেদক, ঢাকা: নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীর কর্মীদের কোনো ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে তার দায় সরাসরি প্রার্থীর ওপরই বর্তাবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-১৩ ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী। বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ভবনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, "আগামীকাল (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। আমি আশা করব আপনারা সবাই আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলবেন। আপনাদের নিজ নিজ কর্মীদেরও এ বিষয়ে সচেতন করতে হবে। কর্মী ভুল করলে প্রার্থীকে তার দায় নিতে হবে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচনী পরিবেশ সুন্দর রাখা কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একার দায়িত্ব নয়, এতে প্রার্থীদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
সভায় উপস্থিত বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের কঠোর অবস্থানের কথা জানান:
মোহাম্মদপুর জোন (ঢাকা-১৩): উপ-পুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ঢাকা-১৩ আসনে দায়িত্ব পালন করা একটি চ্যালেঞ্জ। তবে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
মিরপুর জোন (ঢাকা-১৫): উপ-পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিন ঢাকা-১৫ আসনের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তার বাহিনীর প্রস্তুতির কথা জানান।
সেনাবাহিনীর বক্তব্য: ঢাকা-১৫ আসনের দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর মেজর নাফিসা এবং ঢাকা-১৩ আসনের দায়িত্বে থাকা মেজর আবু সালেহ মো. ইয়াহিয়া জানান, তারা ২৪ ঘণ্টা মোতায়েন (ডেপ্লয়েড) আছেন। তারা প্রার্থীদের কোনো ধরনের 'মব' বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য যে, আজ প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর পথ সুগম হলো। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী:
প্রচারণা শুরু: ২২ জানুয়ারি ২০২৬।
প্রচারণা শেষ: ১০ ফেব্রুয়ারি (সকাল ৭:৩০ মিনিট)।
ভোটগ্রহণ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।