# তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%a8-%e0%a6%98%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%a4/
- Published: 2026-03-14T20:28:12+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে ইরান।
শনিবার (১৪ মার্চ) সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে
এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানের নৌবাহিনী দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে
তারা একাধিক দফায় হামলা চালিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আইআরজিসির নৌবাহিনীর
প্রধান অ্যাডমিরাল আলিরেজা তাংসিরি জানান, ইরানি বাহিনী মার্কিন বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘
ধারাবাহিক কয়েক দফা’ হামলা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, হামলার লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-ধাফরা ঘাঁটি (আবুধাবি), কুয়েতের
আল-আদিরি ঘাঁটি এবং বাহরাইনের শেখ ইসা ঘাঁটি। এই হামলায় মার্কিন প্যাট্রিয়ট রাডার 
সিস্টেম, সামরিক বিমান এবং বিমানবাহিনীর জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক ধ্বংস করা হয়েছে বলে
দাবি করেছে ইরান।

**ভারত মহাসাগরে ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলা, ১০৪ নিহত**

এদিকে ভারত মহাসাগরে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ১০৪ নৌস[দস্য নিহত](http://তিন দেশের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা)
হওয়ার ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান আমির হাতামি। তিনি
বলেছেন, এই হামলার জবাব অবশ্যই দেওয়া হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ইরানের নতুন যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি আইআরআইএস
দেনা সামরিক মহড়া শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয়। সেনাবাহিনী প্রধান আমির হাতামি
বলেন, “দেনা ডেস্ট্রয়ারের ক্রুরা একটি শান্তিপূর্ণ মিশন শেষ করে দেশে ফিরছিলেন। তারা
কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়িত না থাকা অবস্থায়ই হামলার লক্ষ্যবস্তু হন।”

তিনি আরও বলেন, “দেনার নাম এবং এর ক্রুদের আত্মত্যাগ ইরানের নৌবাহিনীর ইতিহাসে সাহস
ও দায়িত্ববোধের প্রতীক হয়ে থাকবে। সেনাবাহিনী সামুদ্রিক সীমান্ত রক্ষায় আরও দৃঢ়ভাবে
কাজ করবে এবং নৌক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে।”

এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে সরাসরি
সংঘাত এড়াতে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
