# নতুন পে স্কেলে দ্বিগুণ হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%a8%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%a8-%e0%a6%aa%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a3-%e0%a6%b9%e0%a6%9a/
- Published: 2026-01-25T00:00:19+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

**অর্থনীতি প্রতিবেদক:** সরকারি চাকুরেদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন পে স্কেলের
বিস্তারিত প্রস্তাবনা সামনে এসেছে। প্রস্তাবিত এই পে স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের বেতন যেমন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে, তেমনি প্রাথমিকের শিক্ষকরা বর্তমানের
তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেতন পাবেন। তবে বাজার ব্যবস্থায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে
বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

### বেতন কাঠামোর মূল সুপারিশসমূহ

বেতন বৈষম্য কমাতে এবারের পে স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে
কমিয়ে **১:৮** করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মোট ২০টি গ্রেডের এই কাঠামোতে:

 * **সর্বনিম্ন বেতন:** ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে **২০ হাজার টাকা**।
 * **সর্বোচ্চ বেতন:** ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে **১ লাখ ৬০ হাজার টাকা**।

### লাভবান হবেন প্রাথমিক শিক্ষকরা

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের[ শিক্ষকরা তাদের বর্তমান গ্রে](http://নতুন পে স্কেলে দ্বিগুণ হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন)
ড অনুযায়ী বড় অঙ্কের সুবিধা পাবেন। উদাহরণস্বরূপ, **১৩তম গ্রেডের** একজন শিক্ষকের মূল
বেতন ১১,০০০ টাকা থেকে বেড়ে **২৪,০০০ টাকা** হতে পারে। নিম্ন গ্রেডগুলোতে বেতন বৃদ্ধির
হার তুলনামূলক বেশি রাখা হয়েছে এবং টিফিন ভাতাসহ আনুষঙ্গিক সুবিধা বাড়ানোর জোর সুপারিশ
করা হয়েছে।

### বাস্তবায়ন ব্যয় ও পেছনের কথা

কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খান জানান, এই নতুন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত **
১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার** প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ কর্মচারী ও ৯ লাখ পেনশনভোগীর
পেছনে সরকারের বার্ষিক ব্যয় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।

তিনি আরও উল্লেখ করেন:

 * গত এক দশকে জীবনযাত্রার ব্যয় ও দ্রব্যমূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সুপারিশ বাস্তবসম্মত।
 * ১৮৪টি সভা এবং ২,৫৫২ জনের মতামতের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।
 * কমিশন নির্ধারিত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয় করে সময়ের আগেই কাজ সম্পন্ন করেছে।

### সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ

২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত এই কমিশন নির্ধারিত সময়ের আগেই প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদন
গ্রহণ করে অর্থ উপদেষ্টা **ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ** জানান, এখন পরবর্তী ধাপ হলো এটি 
বাস্তবায়ন করা। এই লক্ষ্যে একটি **বাস্তবায়ন কমিটি** গঠন করা হবে, যারা এর পদ্ধতি ও
প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করবে।
