bogra times Add
ঢাকামঙ্গলবার , ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন বোধগম্য: তারেক রহমান

নিউজ ডেস্কঃ-
ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ ১১:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ এখন জনগণের কাছে স্পষ্ট ও বোধগম্য হয়েছে। আগামীকাল বুধবার ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআরের (বর্তমান বিজিবি) সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদ হন। তিনি উল্লেখ করেন, ২০০৯ সালের পর থেকে দিনটি যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে পালন করা হয়নি। তবে ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে এই দিনটি ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালিত হচ্ছে।

শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “আজকের এই বিশেষ দিনে আমরা সেনা হত্যাযজ্ঞে শহীদদের মাগফিরাত কামনা করছি। তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রকাশ করছি।”

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই মামলার বিচার কার্যক্রম এখনও চলমান। বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী একটি তৎপরতা সক্রিয় ছিল, যা একজন নাগরিক হিসেবে সবার উপলব্ধিতে রাখা জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর নানা মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছিল। তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক হিসেবে অভিহিত করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব এবং গৌরবের প্রতীক। ভবিষ্যতে আর কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে, আজ পুনরায় সেই শপথে বলীয়ান হতে হবে।”

শেষে দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ এবং জনগণের স্বার্থের বিপরীতে যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব—এই হোক শহীদ সেনা দিবসের প্রত্যয়।”