
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি : বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের এসেট (ASSET) প্রকল্পের আওতায় বগুড়ার শেরপুরে প্রথম ব্যাচের প্রশিক্ষণার্থীদের সনদপত্র ও ভাতা বিতরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (১৩ মে) সকালে উপজেলার দুবলাগাড়ী এলাকায় রুহুল আইটিতে এক পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. সাইদুজ্জামান হিমু। এছাড়া বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষার্থী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন মসজিদের খতিব অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, এসেট প্রকল্পের প্রথম ব্যাচে মোট ৭২ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে ৬২ জন সফলভাবে তিন মাসব্যাপী কোর্স সম্পন্ন করে উত্তীর্ণ হন। কোর্স শেষে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে সনদপত্র, একটি ল্যাপটপ ব্যাগ এবং ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
প্রশিক্ষণের বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল ডিজিটাল মার্কেটিং ফর ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক ডিজাইন ফর ফ্রিল্যান্সিং, আইটি সাপোর্ট সার্ভিস এবং ওয়েব ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফর ফ্রিল্যান্সিং। আয়োজকেরা জানান, নতুন ব্যাচে ইতোমধ্যে ৯৪ জন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন।
রুহুল আইটির প্রতিষ্ঠাতা রুহুল আমিন বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ক্লায়েন্ট হান্টিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ফ্রিল্যান্সিং খাতে প্রশিক্ষণার্থীরা কাজের সুযোগ পাচ্ছেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও মো. সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, তরুণদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ফ্রিল্যান্সিং খাতে কাজের সুযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।