বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়ায় সাতটি পিভিসি পাইপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে গুণগত মান পরীক্ষা করে সনদ নেওয়ার পর পণ্য বিক্রি ও বিতরণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে পিভিসি পাইপের নতুন ভ্যারিয়েন্ট যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
২৯ সেপ্টেম্বর বিএসটিআইয়ের বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উদ্যোগে জেলার বিভিন্ন পাইপ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানে সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নিশিন্দারা ও মধ্যপাড়া এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করা হয়।
বিএসটিআইয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নিশিন্দারা কারবালা এলাকার আতিক প্লাস্টিক, শরিফ পাইপ, পিয়াস পাইপ, আদর এন্টারপ্রাইজ, আলী প্লাস্টিকস ও লাকি প্লাস্টিক এবং নিশিন্দারা মধ্যপাড়ার মাস্টার পাইপকে ইউ-পিভিসি পাইপের গুণগত মান পরীক্ষা করে বিএসটিআই সনদ নেওয়ার পর বিক্রি ও বিতরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া নিশিন্দারা মধ্যপাড়ার করতোয়া প্লাস্টিক নামের লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানটিকে পিভিসি পাইপের নতুন ভ্যারিয়েন্ট যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া বিএসটিআই বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (সিএম) মো. দেলোয়ার হোসেন ও ফিল্ড অফিসার (সিএম) তুষার সাহা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাইসেন্স গ্রহণের আবেদন জমা দিতে ১৪ কর্মদিবস সময়সীমা বেঁধে দেন।
বিএসটিআইয়ের বগুড়া আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক (সিএম) ও অফিস প্রধান মো. জহুরুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে
জানানো হয়।