# বগুড়ার শেরপুরে অটোরিকশা কৌশলে বিক্রির উদ্দেশ্যে হত্যা, নানি-নাতি গ্রেপ্তার

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%ac%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%9f%e0%a7%8b%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%b6%e0%a6%be/
- Published: 2026-11-01T22:19:57+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

অটোরিকশা দখল করে বিক্রির পরিকল্পনা থেকেই বগুড়ার শেরপুরে চালক আসাদুল ইসলামকে (২৬)
হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিন পর এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে
তাঁর নানি রেহানা বেগম (৬০) ও নাতি রিয়াদ হোসেনকে (২১) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের
দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অটোরিকশা ও হত্যায় ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার (১ নভেম্বর) সকালে গাবতলী উপজেলার চকমুড়িয়া গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার
করা হয়। পরে বগুড়া শহর থেকে আসাদুলের অটোরিকশা এবং শেরপুরের রণবীরবালা এলাকায় করতোয়া
নদী থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছোরাটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ২৪ অক্টোবর অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন আসাদুল।
পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় শেরপুর উপজেলার
কৃষ্ণপুর নামাপাড়া এলাকায় করতোয়া নদী থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আসাদুলের
মা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নুল আবেদীন বলেন, প্রাথমিক
জিজ্ঞাসাবাদে রিয়াদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। হত্যার পর লাশ নদীতে
ফেলে গোপন করতে তাঁর নানি রেহানা বেগম সহযোগিতা করেন বলে জানা গেছে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন বলেন, আসাদুলের অটোরিকশাটি
কৌশলে দখল করে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে তাঁকে হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনকে রোববার 
বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
