
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান।
তারা বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে করে বগুড়া বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শন করেন এবং সম্ভাব্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এখানে এসেছি। উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বগুড়াতেই নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি দক্ষ পাইলট তৈরির জন্য একটি ফ্লাইং একাডেমি গড়ে তোলা হবে।”
তিনি আরও বলেন, বগুড়াকে দেশের অন্যতম অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যত দ্রুত সম্ভব বিমানবন্দরটি চালু করতে সরকার কাজ করছে।”
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, বর্তমানে বগুড়া বিমানবন্দরটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ স্কুল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ভবিষ্যতে এখানে উত্তরবঙ্গের প্রথম অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটি নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, “প্রস্তাবিত ফ্লাইং একাডেমিতে বিমান বাহিনী ও বেসরকারি খাতের পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরের জন্য ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।”
তিনি আরও জানান, বিমানবন্দরটি যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি কার্গো সুবিধাসম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য ও হালকা প্রকৌশল পণ্য দ্রুত রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে। এতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে বলে আশা করছে সরকার।
এসময় বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা এবং বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।