# বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথে দৃশ্যমান অগ্রগতি, শুরু হয়েছে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%ac%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%97%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c-%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%aa%e0%a6%a5%e0%a7%87/
- Published: 2026-05-23T16:40:35+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

**বগুড়া প্রতিনিধি: **বহুল প্রত্যাশিত বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পে
বগুড়া অংশে দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে বগুড়া জেলায় প্রায় ৪৮১
একর জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড়ের পর
ভূমি মালিকদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছে জেলা প্রশাসনের ভূমি
অধিগ্রহণ শাখা।

ভূমি অধিগ্রহণ শাখা, বগুড়া সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্পে বগুড়া
জেলার জন্য বরাদ্দ হওয়া ১ হাজার ১০৬ কোটি টাকার মধ্যে এ পর্যন্ত ১১৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮৯
হাজার ৪০০ টাকার চেক ২৭১ জন ভূমি মালিকের কাছে বিতরণ করা হয়েছে। বাকি ভূমি মালিকদের
কাছ থেকেও অধিগ্রহণকৃত জমি বুঝে নিতে দ্রুত চেক বিতরণের কাজ চলছে। এতে প্রকল্পের বগুড়া
অংশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে।

রেলওয়ে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথে ৮টি স্টেশন নির্মাণ করা
হবে। এগুলো হলো সিরাজগঞ্জ জংশন, কৃষ্ণদিয়া, রায়গঞ্জ, চান্দাইকোনা, ছোনকা, শেরপুর, আরিয়া
বাজার ও রানীরহাট। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণির ১০৬টি লেভেল ক্রসিং গেট নির্মাণ ক[রা হবে। ১১টি স্টে](http://বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথে দৃশ্যমান অগ্রগতি, শুরু হয়েছে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ)
শনে বসানো হবে কম্পিউটারভিত্তিক সিগন্যালিং ব্যবস্থা।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের চাহিদা বিবেচনায় এই রুটে ৭০টি
ট্রেন পরিচালনা করা সম্ভব হবে। নতুন ডুয়েল গেজ রেলপথ চালু হলে বগুড়া ও ঢাকার মধ্যে 
দূরত্ব প্রায় ১১২ কিলোমিটার কমে আসবে এবং যাত্রাসময় কমবে প্রায় তিন ঘণ্টা।

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, এ প্রকল্পে মূল রেললাইন হবে ৮৬ কিলোমিটার। সব মিলিয়ে মোট
১৩৩ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ 
হাজার কোটি টাকা।

এদিকে দ্রুত নতুন সিরাজগঞ্জ-বগুড়া ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নতুন
সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২০ এপ্রিল বগুড়ার গাবতলীতে এক জনসভায় তিনি এ
প্রতিশ্রুতি দেন। তাঁর এই ঘোষণায় বগুড়াবাসীর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। স্থানীয়দের
ভাষ্য, দীর্ঘদিনের দাবির এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বগুড়া ও ঢাকার মধ্যে যাত্রী ও পণ্য
পরিবহন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার (এলএ শাখা ও ভিপি শাখা) মোছা. মুনিরা সুলতানা বলেন, “
আমাদের লোকবল কম থাকা সত্ত্বেও দ্রুত ভূমি মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে চেষ্টা করে যাচ্ছি।
লোকবল বাড়ানো গেলে আরও দ্রুত সেবা দেওয়া যেত। তবে আমরা পরিশ্রম করে যাচ্ছি মানুষকে 
ভালো সেবা প্রদানের জন্য।”

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌফিকুর রহমান বলেন, “প্রকল্পটি বাস্তবায়নে 
জেলা প্রশাসন গুরুত্বসহকারে কাজ করছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ বিতরণ কার্যক্রম দ্রুত
সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”
