
বগুড়া: একজন পল্লী চিকিৎসক নিজেকে ‘চক্ষু বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিন বছর ধরে রোগী প্রতারিত করার অপরাধে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রবিবার বগুড়া সদর উপজেলার সূত্রাপুর এলাকার আজাদ পাম্পের পাশে ‘জীবন চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী হাসান। এ সময় ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক ফজিলাতুন্নেছা ফৌজিয়া ও জেলা পুলিশের একটি টিম সহযোগিতা করে।
অভিযানকালে দেখা যায়, এম কে এ সাকিদার নামে ওই ব্যক্তি নিজের নামের আগে ‘ডাক্তার’ শব্দ সংযোজন করে রোগী দেখছিলেন। তিনি পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক হলেও দীর্ঘ তিন বছর ধরে নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিনি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে দূরদূরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে নিজের কেন্দ্রে নিয়ে আসতেন। উপস্থিত কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দালালরা রোগীদের সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার দেখানোর কথা বলে তাদের এখানে নিয়ে আসেন।
জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার অপরাধ ও ভুল স্বীকার করে নেন। তিনি ভবিষ্যতে আর এ ধরনের প্রতারণার আশ্রয় না নেওয়ার এবং সব নিয়মকানুন মেনে চলার মর্মে অঙ্গীকার করেন। পরে ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
প্রসঙ্গত, চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ায় সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।