# ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ নামজারির অভিযোগ, মানববন্ধন

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%ad%e0%a7%82%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/
- Published: 2026-04-29T20:45:00+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

বগুড়ার শেরপুরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা (নায়েব) মো. রঞ্জু সরকারের 
বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অবৈধ নামজারির অভিযোগ তুলে তার অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন
করেছেন ভূমিহীনরা।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১টার দিকে উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রায় শতাধিক মানুষ এ মানববন্ধনে
অংশ নেন। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন।

## মানববন্ধনে বক্তব্য

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, উপজেলার ১০ নম্বর শাহবন্দেগী ইউনিয়নের কদিমুকুন্দ 
মৌজার হাটদীঘি সরকারি পুকুর এবং এর পাড়ে বসবাসরত ভূমিহীনদের জায়গা ১০ লাখ টাকা ঘুষের
বিনিময়ে অবৈধভাবে সুবাস চন্দ্র মাহাতো ও তার সহযোগীদের নামে নামজারি করে দেওয়া হয়েছে।

তাদের দাবি, ১৯৮৮ সাল থেকে ওই এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবার বর্তমানে
উচ্ছেদের আশঙ্কায় রয়েছে।

## ক্ষতিগ্রস্তদের বক্তব্য

ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষে মো. দুলাল হোসেন বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা এখানে বসবাস করছি। 
কিন্তু জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের বসতভিটা অন্যের নামে নামজারি করা হয়েছে। এর প্রতিবাদ
করায় আমাদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। আমরা এর বিচার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার
অপসারণ চাই।”

## অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত নায়েব মো. রঞ্জু সরকার মুঠোফোনে বলেন, “আমি সম্প্রতি অন্যত্র
যোগদান করেছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমাকে
হেয় করতে পরিকল্পিতভাবে এসব করা হচ্ছে।”

## জমির দাবিদারের বক্তব্য

এদিকে জমির দাবিদার সুবাস চন্দ্র মাহাতো অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা কোনো অবৈধ
লেনদেন করিনি। আইনগত প্রক্রিয়া মেনেই আমাদের নামে নামজারি হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
আমাদের কাছে রয়েছে।”

## প্রশাসনের বক্তব্য

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “ভূমিহীনদের পক্ষ
থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবেদনটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পাঠানো হবে, কারণ বদলির বিষয়টি জেলা প্রশাসকের এখতিয়ারভুক্ত।”
