বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়া শহরের দক্ষিণ শৈলালপাড়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি পণ্য তৈরি, মোড়কে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার, ভাঙা ও ময়লাযুক্ত ডিম এবং পোড়া তেল ব্যবহারের অভিযোগে ‘লামিয়া বেকারি’কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানাটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।
শনিবার ( ১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসক, বগুড়ার সার্বিক নির্দেশনায় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বগুড়া ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বগুড়ার যৌথ অভিযানে এসব অনিয়মের বিষয় উঠে আসে।
অভিযান পরিচালনাকালে কারখানাটিতে অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বেকারি খাদ্যপণ্য তৈরি করতে দেখা যায়। এ ছাড়া মোড়কে মিথ্যা তথ্য ব্যবহার, ভাঙা ও ময়লাযুক্ত ডিম দিয়ে খাদ্য তৈরি, অপরিষ্কার মেঝেতে প্রস্তুতকৃত খাদ্য সংরক্ষণ ও মোড়কজাত করার প্রমাণ পাওয়া যায়।
অভিযানে আরও দেখা যায়, পোড়া তেল ও নন-ফুডগ্রেড রং ব্যবহার করে খাদ্যপণ্য তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি ময়লা ও অপরিষ্কার টেবিলে ময়দার ডো প্রস্তুত করা হচ্ছিল।
এসব অনিয়ম ও অপরাধের দায়ে লামিয়া বেকারিকে তাৎক্ষণিকভাবে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে বিধি অনুযায়ী কারখানাটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়।
অভিযানটি পরিচালনা করেন নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. রাসেল এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বগুড়ার সহকারী পরিচালক মো. মেহেদি হাসান। এ সময় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. আব্দুল কাদেরসহ অন্যান্য সাপোর্ট স্টাফ উপস্থিত ছিলেন।
অভিযানে সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে জেলা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টদের সরকারের প্রচলিত সব আইন ও বিধি মেনে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।