
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের দড়িমুকুন্দ উত্তরপাড়া গ্রাম থেকে নিলুফার (২০) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত নিলুফার ওই গ্রামের মো. মুঞ্জুরের ছেলে ও পেশায় ট্রাকচালক মো. এখলাসের স্ত্রী। তাঁদের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে নিজ ঘরের ভেতরে নিলুফারকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন প্রতিবেশীরা। পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ রাত প্রায় ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
প্রতিবেশীদের দাবি, ঘটনার সময় বাড়িতে নিলুফারের শ্বশুর, শাশুড়ি ও দেবর অবস্থান করছিলেন। তবে ঘটনার পর তাঁদের কাউকে এলাকায় দেখা যায়নি। এ কারণে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রতিবেশী লাভলী ও রোজিনাসহ কয়েকজন জানান, ঈদ উপলক্ষে নিলুফার তাঁর খালার বাড়িতে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি। তাঁদের আরও দাবি, মরদেহের গলায় দাগের মতো চিহ্ন দেখা গেছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।