# শেরপুরে নির্বাচনী সভা, প্রার্থীদের মুখোমুখি নাগরিক

- Link: https://dailybogratimes.com/%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9a%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%b8%e0%a6%ad%e0%a6%be-%e0%a6%aa%e0%a7%8d/
- Published: 2026-02-07T18:21:26+06:00
- Author: বার্তা বিভাগ

[[

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
 বগুড়ার শেরপুরে সুশাসন ও জবাবদিহিতামূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্যে সংসদ সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা জনগণের সামনে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছেন।
শনিবার দুপুরে শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)’ এর উদ্যোগে
আয়োজিত ‘জনতার মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তারা এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠান শুরু হয় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। এরপর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংসদীয় প্রার্থীরা
সুজন প্রণীত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। অঙ্গীকারনামায় তারা অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ
নির্বাচন নিশ্চিত করতে নির্বাচনী আচরণবিধি ও আইন মেনে চলার ওয়াদা করেন। এ ছাড়া তারা
ভোটে অন্যায় প্রভাব, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ এবং ভোট কেনাবেচায় সম্পৃক্ত না হওয়ার ব্যাপারেও
অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রার্থীরা নির্বাচিত হলে দলের ইশতেহার এবং জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে
কাজ করার পাশাপাশি দুর্নীতিমুক্ত ও কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পদক্ষেপ নেওয়ার 
কথা বলেন। তারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, জমি দখল, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক
আন্দোলনে ভূমিকা রাখারও অঙ্গীকার করেন।

এছাড়া তারা নির্বাচনে পরাজয় মানতে এবং বিজয়ী প্রার্থীকে [এলাকার উন্নয়নে সহায়তা দে](http://শেরপুরে নির্বাচনী সভা, প্রার্থীদের মুখোমুখি নাগরিক)
ওয়ার ব্যাপারেও সম্মতি জানান। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল
থেকে আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখা এবং সংসদ বর্জনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার কথা উল্লেখ
করেন প্রার্থীরা।

সুজন শেরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি নিমাই ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন 
জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. দবিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মীর
মো. মাহমুদুর রহমান, সিপিবির প্রার্থী শিপন রবিদাস, বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে রফিকুল
ইসলাম মিন্টু, সুজন বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন ইসলাম তুহিন ও শেরপুর
উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পেশার নাগরিকরা অংশ নিয়ে প্রার্থীদের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য 
ও নির্বাচনি পরিবেশ বিষয়ে প্রশ্ন করেন। প্রার্থীরা সরাসরি এসব প্রশ্নের জবাব দেন।
