
এনাম হক, শেরপুর (বগুড়া) থেকে :
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের ভালোবাসা, দোয়া, সমর্থন ও ভোট পেলে আমানতের সর্বোচ্চ মর্যাদা রক্ষা করা হবে। তিনি বলেন, “আল্লাহর কসম, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে জনগণের একটি টাকার ওপরও আমরা হাত বসাবো না। সীমিত হালাল উপার্জনের মাধ্যমে দুনিয়াতে চলার তৌফিক যেন আল্লাহ আমাদের দান করেন।”
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মহিপুর স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি শেরপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আলহাজ্ব মাওলানা মোঃ দবিবুর রহমান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠনের সুযোগ পেলে বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের ভেতরে চাঁদাবাজদের অস্তিত্ব টিকতে দেওয়া হবে না। সব ধরনের দুর্নীতিকে মাটির নিচে পুঁতে ফেলার চেষ্টা করা হবে এবং ন্যায়বিচার সবার জন্য নিশ্চিত করা হবে।
নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার বিষয়ে তিনি বলেন, ঘরে ও বাইরে নারীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন। কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা ও নিরাপত্তার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। সকল পেশায় নারীদের অংশগ্রহণ থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে এবং ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে সকল নাগরিকের চিকিৎসার ভার রাষ্ট্র বহন করবে।
যুব সমাজকে শিক্ষা ও আদর্শিক মূল্যবোধের মাধ্যমে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “রাষ্ট্র হবে জনগণের সঙ্গী, শোষণের হাতিয়ার নয়।”
“চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ” স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ পথসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান ও মাওলানা আব্দুল হালিম। সঞ্চালনায় ছিলেন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল মুস্তাফিদ নাসিম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আব্দুল হক, কেন্দ্রীয় ক্রিয়া সম্পাদক হারুন অর রশীদ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক (এনসিপি) উত্তরাঞ্চল সাকিব মাহাদি, বগুড়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা মানসুর রহমান, ইসলামী ছাত্রশিবির বগুড়া জেলা (পূর্ব) সভাপতি জুবায়ের আহমেদসহ দশ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।