ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে উগ্রবাদীদের হামলার প্রতিবাদে বগুড়ায় বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ করেছে জেলা বিএনপি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে। এর আগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে তারা ভারতের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত। শেখ হাসিনা ভারতে বসে ইসকনের মাধ্যমে বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে। ছাত্র জনতার আন্দোলনে দেশ থেকে পালিয়েছে শেখ হাসিনা, পৃথিবীর কোন দেশ শেখ হাসিনাকে জায়গা দেয়নি, ভারত তাকে জায়গা দিয়েছে সেখানে বসে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে। শেখ হাসিনা সরকার ১৬ বছর খুন ও গুম করে বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। ভারতের পুতুল সরকার হাসিনা পতনের পরে ভারতের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশকে ভারত তার কলোনি বানাতে চায়। দেশের মানুষ একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ করেছি, ৯০ এর স্বৈরাচারের বিদায় দিয়েছি এবং জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতন করেছি, আমরা ভারতকে ভয় পাই না। সকল জাতীয়তাবাদ শক্তি ও ইসলামী শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পুরানো ও হাইকমিশনে হামলা ও ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এসময় সমাবেশ ও মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ভিপি সাইফুল ইসলাম, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আলী আজগর হেনা, সহ-সভাপতি এম আর ইসলাম স্বাধীন, এ্যাডভোকেট হামিদুল হক চৌধুরী হিরু, মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদ উন নবী সালাম, যুগ্ম সম্পাদক শেখ তাহাউদ্দিন নাহিন, মনিরুজ্জামান মনি, জেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি সরকার মুকুল, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম শুভ, শহর যুবদলের সভাপতি আহসান হাবিব মনি, সাধারণ সম্পাদক আদিল শোহরিয়ার গোর্কী, সদর উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শ্রী অতুল চন্দু দাস প্রমুখ।
মিছিলে জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।