
ডেস্ক প্রতিবেদক: ২০২৬ সালে পবিত্র হজ পালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন ৭৬ হাজার ৫৮০ জন হজযাত্রী। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে প্রথম ফ্লাইট যাত্রা শুরু করবে।
এ বছর বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজ পালনের কোটা পেয়েছিলেন। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী:
মোট নিবন্ধিত: ৭৬,৫৮০ জন।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনা: ৭২,৩৪৪ জন।
সরকারি ব্যবস্থাপনা: ৪,২৬০ জন (মতান্তরে ৪,৫৬৫ জন)।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের হজ পালনের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই এবং সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ অক্টোবর ছিল নিবন্ধনের শেষ সময়।
বাংলাদেশি হজযাত্রীদের বহনের দায়িত্ব পালন করবে তিনটি এয়ারলাইনস: ১. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। ২. সৌদিয়া এয়ারলাইনস। ৩. ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস।
মন্ত্রণালয় নির্দেশ দিয়েছে যে, এজেন্সিগুলোকে প্রি-হজ ফ্লাইটের মধ্যবর্তী সময়ে ২০ শতাংশ হজযাত্রী পাঠাতে হবে। এছাড়া কোনো এজেন্সি ফ্লাইটের প্রথম বা শেষ পর্যায়ে ৩০ শতাংশের কম এবং ৫০ শতাংশের বেশি টিকিট ইস্যু করতে পারবে না।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. আবুবকর সিদ্দীক জানান, সাধারণ হজযাত্রীদের পাশাপাশি মেডিকেল টিম, হজ গাইড এবং প্রশাসনিক ও কারিগরি দলও সৌদি আরবে যাবেন। ইতোমধ্যে তাদের তালিকা অনুমোদনের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা:
মেডিক্যাল ফিটনেস: সৌদি সরকার এবার সব হজযাত্রীর জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা মেডিক্যাল ফিটনেস বাধ্যতামূলক করেছে।
প্রযুক্তিগত সেবা: হজযাত্রীরা ই-হজ সিস্টেম, 'লাব্বাইক' মোবাইল অ্যাপ এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মতো আধুনিক মাধ্যম ব্যবহার করে নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা হজযাত্রীদের শারীরিক ও মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে সৌদি আরবের আবহাওয়ায় স্বাস্থ্য সচেতন থাকা এবং সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।