bogra times
ঢাকাবুধবার , ১৪ জানুয়ারি ২০২৬

ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে ঢাকার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে দিল্লি: ভারতীয় সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ-
জানুয়ারি ১৪, ২০২৬ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডেস্ক প্রতিবেদক | ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির ওপর সতর্ক নজর রাখার পাশাপাশি যেকোনো ধরনের ‘ভুল বোঝাবুঝি’ এড়াতে ঢাকার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের সামরিক যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে ভারত। দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী জানিয়েছেন, দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে একাধিক মাধ্যমে নিয়মিত সংলাপ চলছে এবং ভারতের তিন বাহিনীই (সেনা, নৌ ও বিমান) বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত রেখেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নয়া দিল্লিতে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের স্থায়িত্ব পর্যবেক্ষণ করছে ভারত
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, ভারতের জন্য সবার আগে এটা বোঝা জরুরি যে বাংলাদেশে বর্তমানে কী ধরনের সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমাদের দেখতে হবে এই অন্তর্বর্তী সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিচ্ছে, সেগুলো কি পরবর্তী চার-পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ, নাকি কেবল আগামী চার-পাঁচ মাসের জন্য। তাদের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করেই আমাদের পরবর্তী করণীয় বা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হবে।”

খোলা আছে সব সামরিক চ্যানেল
দুই দেশের সামরিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে ভারতীয় সেনাপ্রধান জানান, তিনি নিজে নিয়মিত বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তিনি বলেন:

ভারতীয় সেনাবাহিনী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক মাধ্যম সচল রেখেছে।

সম্প্রতি ভারতের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সরাসরি কথা বলেছে।

সেনাবাহিনীর পাশাপাশি ভারতের নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানও তাদের সমমর্যাদার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

দ্বিবেদী জোর দিয়ে বলেন, “আমাদের এই নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো ধরনের ভুল তথ্য বা ভুল বোঝাবুঝি যেন বড় কোনো সংকট তৈরি করতে না পারে।”

ভারতের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নয়
বাংলাদেশি বাহিনীর কোনো কার্যক্রম ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী আশ্বস্ত করে বলেন, “আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, বর্তমানে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে নেওয়া পদক্ষেপগুলো কোনোভাবেই ভারতের বিরুদ্ধে নয়। প্রতিটি দেশই তাদের সামরিক সক্ষমতা উন্নয়নের কাজ করে, যা একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা কেবল সেখানকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি এবং সব ধরনের প্রস্তুতির দিকে নজর রাখছি।”