bogra times
ঢাকামঙ্গলবার , ১৩ জানুয়ারি ২০২৬

শেরপুরে হত্যার ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদ্ঘাটন, আটক দুই

এনাম হকঃ-
জানুয়ারি ১৩, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে হামিদুল মণ্ডলকে হত্যার পর মরদেহ বেগুনক্ষেত থেকে সরিয়ে ধানক্ষেতে ফেলে রাখার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহাদত হোসেনের নির্দেশে এবং শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব শাহরিনের তত্ত্বাবধানে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলীর নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল দ্রুত অভিযান শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত চিত্র উঠে আসে।

নিহত হামিদুল মণ্ডল (৪৫) শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মমতাজ মণ্ডলের ছেলে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, হামিদুল মণ্ডলকে প্রথমে একটি বেগুনক্ষেতে মারধর করে হত্যা করা হয়। পরে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের উদ্দেশ্যে মরদেহটি রাস্তার পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি মই ও রশি আলামত হিসেবে উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

শেরপুরে হত্যার ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদ্ঘাটন, আটক দুই

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে শেরপুর থানা পুলিশ দুজনকে আটক করে। তারা হলেন মো. আতিক হাসান (২১), পিতা মো. গোলাম মোস্তফা এবং মো. রাকিবুল হাসান সিয়াম (১৬), পিতা মো. ফেরদৌস আলী বাবু। দুজনের বাড়িই জামালপুর গ্রামে। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার বিকেলে হামিদুল মণ্ডল ধানের টাকা সংগ্রহের জন্য বাজারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে গ্রামের পাশের একটি জমিতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

শেরপুর থানার ওসি ইব্রাহিম আলী জানান, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।