bogra times Add
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৭ মে ২০২৬

মহাসড়কে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে শেরপুরের শিক্ষার্থী ও পথচারীরা

শেরপুর,বগুড়া প্রতিনিধি:-
মে ৭, ২০২৬ ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: সামান্য বৃষ্টি হলেই বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়িদহ এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের পাশের সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ জলাবদ্ধতা। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছে স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা। কাদা ও হাঁটুপানি মাড়িয়ে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হচ্ছে তাদের। ভোগান্তিতে রয়েছেন পথচারী, মুসল্লি ও স্থানীয় বাসিন্দারাও।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পল্লী উন্নয়ন একাডেমি স্কুল সংলগ্ন মহাসড়কের পাশের নিচু এলাকাগুলো বৃষ্টির পানিতে ডুবে আছে। কোথাও জমে রয়েছে হাঁটুপানি। পানি সরানোর কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি দীর্ঘসময় আটকে থাকছে। এতে সড়কের পাশের বাড়িঘর ও দোকানপাটেও পানি ঢুকে পড়ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকাটি ছোট জলাশয়ের মতো হয়ে যায়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী ও বৃদ্ধদের চলাচল সবচেয়ে বেশি কষ্টকর হয়ে পড়ে।

স্কুলছাত্র আরিফ বলে, “স্কুলে যেতে গেলে পুরো রাস্তা পানি থাকে। অনেক সময় জুতা হাতে নিয়ে যেতে হয়। কাপড়ও নষ্ট হয়ে যায়।”

একই অভিযোগ স্কুলছাত্রী সুরাইয়ারও। সে জানায়, বৃষ্টির দিনে স্কুলে যেতে খুব ভোগান্তি হয়। কাদা-পানির কারণে পড়ে যাওয়ার ভয় থাকে সবসময়।

স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল, রাশেদুল হক স্বপন, আলতাব হোসেন ও মুন্না বলেন, মহাসড়ক নির্মাণের পর থেকেই পানি নিষ্কাশনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর গেলেও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়ে।

তাদের দাবি, দ্রুত ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু না করলে বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।

এদিকে মহাসড়কের পাশের মসজিদে নামাজ আদায় করতে আসা মুসল্লিদেরও কাদা ও পানি মাড়িয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

শেরপুর সড়ক উপ-বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) শেখ রুহুল আজম বলেন, “গাড়িদহ এলাকায় জলাবদ্ধতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। পানি নিষ্কাশনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দ্রুত সমস্যার সমাধানে কাজ করা হচ্ছে।”