bogra times Add
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৪ মে ২০২৬

দৈনিক চাঁদনী বাজার ও জনবানীতে সংবাদ প্রকাশের পর ছোনকা স্কুল পরিদর্শনে সাংসদ গোলাম মোঃ সিরাজ

শেরপুর,বগুড়া প্রতিনিধি:-
মে ১৪, ২০২৬ ১০:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ছোনকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে স্থানীয় দুটি দৈনিকে সংবাদ প্রকাশের পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছেন বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ এবং শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু। এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আর্থিক লেনদেন, উন্নয়নকাজ ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে ব্যাখ্যা চান তাঁরা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ১১টার দিকে আকস্মিকভাবে ছোনকা দ্বি-মূখী উচ্চ বিদ্যালয়ে যান সাংসদ ও ইউএনও। সেখানে প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলামের কার্যালয়ে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সম্প্রতি পত্রিকায় প্রকাশিত অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে সাংসদ গোলাম মোঃ সিরাজ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম কিছু হিসাবসংক্রান্ত ভাউচার না থাকার বিষয়টি স্বীকার করেন। বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র আনার জন্য ব্যয় হওয়া কিছু অর্থের কাগজপত্র অনুপস্থিত বলে জানান তিনি। এছাড়া সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খানের দায়িত্বকাল শেষে যৌথ স্বাক্ষরের ব্যাংক চেকের মাধ্যমে কিছু অর্থ উত্তোলনের বিষয়েও কথা বলেন।

বিদ্যালয়ের উন্নয়নকাজ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধান শিক্ষক জানান, একটি দোকান পজিশন কেনা হয়েছে এবং অন্যান্য ব্যয়ের বিপরীতে প্রয়োজনীয় ভাউচার সংরক্ষিত রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু সাংবাদিকদের বলেন, বিদ্যালয়ের আর্থিক বিষয়গুলো তদন্তে একটি কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংসদ সদস্য গোলাম মোঃ সিরাজ বলেন, “বিদ্যালয়ের সম্পত্তি অধিগ্রহণের অর্থ কেউ আত্মসাৎ করে থাকলে তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।”

এ ছাড়া বিদ্যালয়ের দোকান পজিশনের যেসব মালিক বকেয়া ভাড়া পরিশোধ করছেন না, তাঁদের নিয়ে শিগগিরই একটি বৈঠক করা হবে বলে জানান সাংসদ। ওই বৈঠকে তিনি ও ইউএনও উপস্থিত থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন।

পরিদর্শন শেষে বিদ্যালয়ের পেছনের জায়গা ঘুরে দেখেন সাংসদ ও ইউএনও। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।