bogra times Add
ঢাকারবিবার , ৩১ মে ২০২৬

শেরপুরে ক্লাব ৯২-এর ঈদ আড্ডা ও সংবর্ধনা

শেরপুর,বগুড়া প্রতিনিধি:-
মে ৩১, ২০২৬ ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বগুড়া প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে বগুড়ার শেরপুরে ১৯৯২ সালে এসএসসি পাস করা বন্ধুদের সংগঠন ‘ক্লাব ৯২’-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ আড্ডা, মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ক্লাবের সদস্যরা অংশ নেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পৌর শহরের ডিজে মডেল হাইস্কুল খেলার মাঠ সংলগ্ন ক্লাব ৯২ কার্যালয়ে এ আয়োজনটি পরিণত হয় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বন্ধুদের মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন সাইয়েদুজ্জামান, গীতা পাঠ করেন গোপাল বসক। পরে সাংবর্ধনাপ্রাপ্ত দুই বন্ধু ডা. আমিরুল ইসলাম ও ডা. মোমিনুল হককে ফুল দিয়ে বরণ ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন উপস্থিত সব বন্ধু ও বান্ধবী।

আবুল ফজল সিদ্দিক তোতার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন আবুল কালাম আজাদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লাভলী খাতুন, তহমিনা খাতুন, সুবর্ণা দত্ত, রেজওয়ানা ফেরদৌস পাপিয়া। বন্ধুদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন প্রভাষক মীর মাহমুদুর রহমান চুন্নু, নয়ন পাঠান, রেজাউল করিম, শাহ আলম বাবু প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, ক্লাব ৯২ দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক সম্প্রীতি, মানবিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকায় ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছে। সংগঠনের সদস্যদের পারস্পরিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সংবর্ধিত দুই বন্ধু তাদের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ক্লাবের এমন সম্মাননায় আমরা বন্ধুদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। বর্তমান সময়ে বন্ধুত্বের বন্ধন ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য রক্ষায় এমন মিলনমেলার প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি। ক্লাব ৯২ ভবিষ্যতেও শিক্ষা, সংস্কৃতি, ক্রীড়া এবং মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে হয় সদস্যদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত ঈদ আড্ডা, স্মৃতিচারণ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও নৈশভোজ। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশ। উপস্থিত সদস্যরা এমন আয়োজনকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের মিলনমেলা আয়োজনের আহ্বান জানান।

সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে উপস্থিত সবার কাছে প্রশংসিত হয়েছে অনুষ্ঠানটি।