bogra times
ঢাকামঙ্গলবার , ২৭ জানুয়ারি ২০২৬

অ্যাপ দুনিয়ার চাহিদার শীর্ষে জেনারেটিভ এআই

নিউজ ডেস্কঃ-
জানুয়ারি ২৭, ২০২৬ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রযুক্তি ডেস্ক | ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬

স্মার্টফোন অ্যাপের জগতে ঘটে গেছে এক বিশাল পরিবর্তন। গত দুই বছরের ব্যবধানে সাধারণ অ্যাপের বদলে এআই (AI) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাপের চাহিদা এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি প্রকাশিত সেন্সর টাওয়ারের ‘স্টেট অব মোবাইল ২০২৬’ রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ক্যাটেগরি হিসেবে শীর্ষে উঠে এসেছে জেনারেটিভ এআই।

জেনারেটিভ এআই: ভবিষ্যতের ‘ওয়ানস্টপ সল্যুশন’

বিশেষজ্ঞরা জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তিকে মানুষের জীবনের জটিল কাজগুলো সহজ করার ‘ওয়ানস্টপ সল্যুশন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে বেশ কিছু দেশে এই ধরনের অ্যাপ ডাউনলোডের সংখ্যা তিন গুণ বেড়েছে। বিশেষ করে এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাপগুলোর ব্যবহার বেড়েছে দ্বিগুণ হারে।

ডাউনলোডের দৌড়ে শীর্ষ যারা

বিশ্বজুড়ে বর্তমানে কয়েক ডজন এআই অ্যাপ থাকলেও জনপ্রিয়তার বিচারে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছে কিছু নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্ম:

  • চ্যাটজিপিটি (ChatGPT): সব ধরনের এআই অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হয়েছে এটি। ২০২৫ সালের সামগ্রিক অ্যাপ তালিকায় এর অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।

  • গুগল জেমিনি (Gemini): দ্বিতীয় অবস্থানে থেকে দ্রুত নিজের জায়গা করে নিয়েছে।

  • অন্যান্য: পারপ্লেক্সিটি (Perplexity) এবং ইলন মাস্কের গ্রোক (Grok) এর মতো অ্যাপগুলোর চাহিদাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

চাহিদা বাড়ার মূল কারণ

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রযুক্তি নির্মাতাদের বিশেষ কিছু কৌশল এই জোয়ারকে আরও বেগবান করেছে: ১. ফ্রি প্রিমিয়াম ফিচার: অনেক এআই নির্মাতা সংস্থা তাদের প্রিমিয়াম ফিচারগুলো শুরুতে বিনামূল্যে বা বড় ধরনের ছাড়ে ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। ২. সময় সাশ্রয়: ব্যবহারকারীরা আগের তুলনায় দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে নিজেদের কাজ শেষ করতে এআই প্রযুক্তিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। ৩. নতুন ট্রেন্ড: এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ছাড়াও ‘মাইক্রোড্রামা’ প্ল্যাটফর্মের অ্যাপগুলোর প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ডিজিটাল দুনিয়ায় কাজের গতি এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এআই অ্যাপ এখন আর কেবল শখ নয়, বরং প্রয়োজনীয়তায় পরিণত হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে এআই ছাড়া দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়বে—এমনটাই মনে করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।