bogra times Add
ঢাকাশুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

যানবাহনে জ্বালানি বিক্রির সীমা নির্ধারণ বিপিসির

নিউজ ডেস্কঃ-
মার্চ ৬, ২০২৬ ১১:২০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিউজ ডেস্কঃ-

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের জ্বালানি তেলের বাজারে দেখা দেওয়া অস্থিরতা ও গ্রাহকদের আতঙ্ক কাটাতে বড় ধরনের কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে সরকার। ফিলিং স্টেশনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় এবং অতিরিক্ত তেল মজুতের প্রবণতা ঠেকাতে এবার যানবাহনে তেল বিক্রির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

শুক্রবার (৬ মার্চ) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে, যা আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

কেন এই কঠোরতা?

বিপিসি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেলের চাহিদার প্রায় ৯৫ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সাম্প্রতিক বৈশ্বিক সংকটের কারণে আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এই সুযোগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক খবর ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়েছে। অনেক ডিলার ও গ্রাহক প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে অবৈধভাবে মজুত করছেন। বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতেই এই কোটা সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

কোন যানবাহনে কতটুকু তেল?

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি তেল কেউ কিনতে পারবেন না। সীমার তালিকাটি নিচে দেওয়া হলো:

যানবাহনের ধরন তেলের সর্বোচ্চ সীমা (দৈনিক)
মোটরসাইকেল সর্বোচ্চ ২ লিটার (পেট্রোল/অকটেন)
ব্যক্তিগত গাড়ি (কার) সর্বোচ্চ ১০ লিটার
এসইউভি/জিপ/মাইক্রোবাস ২০ থেকে ২৫ লিটার
লোকাল বাস/পিকআপ ৭০ থেকে ৮০ লিটার (ডিজেল)
দূরপাল্লার বাস/ট্রাক ২০০ থেকে ২২০ লিটার

রসিদ দেখানো বাধ্যতামূলক

বিপিসি আরও জানায়, ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নেওয়ার সময় প্রত্যেক ভোক্তাকে অবশ্যই রসিদ গ্রহণ করতে হবে। পরবর্তী সময়ে তেল কিনতে এলে আগের রসিদটি দেখাতে হবে।

ডিলারদের ক্ষেত্রেও নিয়ম কড়াকড়ি করা হয়েছে। এখন থেকে ডিলাররা তাদের বর্তমান মজুত এবং বিক্রির সঠিক তথ্য প্রদান সাপেক্ষে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত বরাদ্দের অতিরিক্ত জ্বালানি কোনো ডিলারকে দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।