bogra times cover image-1
ঢাকাশুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

ঈদযাত্রায় রাজধানী ছাড়বে দেড় কোটি মানুষ

নিউজ ডেস্কঃ-
মার্চ ৬, ২০২৬ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিউজ ডেস্ক: পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় দেড় কোটির বেশি মানুষ বাড়ি ফিরবেন বলে আশঙ্কা করছে সরকার। এ বিপুল সংখ্যক মানুষের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে বৃহস্পতিবার আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

সভায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো হলো:

  • নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে রুট পারমিট বাতিল: যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত হারের বেশি ভাড়া আদায় করলে ওই পরিবহনের রুট পারমিট বাতিল করে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে বিআরটিএ।

  • মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ: ঈদের দিন, তার আগের তিনদিন ও পরের তিনদিন—মোট সাতদিন মহাসড়কে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও লরি চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পচনশীল পণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যবাহী যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

  • চাঁদাবাজি বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত: বাস টার্মিনাল ও মহাসড়কে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, পকেটমার ও অজ্ঞান পার্টির দৌরাত্ম্য রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। বিআরটিএ, পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও সিটি করপোরেশনের সমন্বয়ে বিশেষ টিম কাজ করবে।

  • ২০৭ স্থান চিহ্নিত: হাইওয়ে পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সারা দেশে যানজটপ্রবণ ২০৭টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই সব পয়েন্টে আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, ঢাকার সদরঘাট, মহাখালী, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও ফুলবাড়িয়া—এই পাঁচটি বাস টার্মিনালে প্রয়োজনীয় সিসিটিভি ক্যামেরা ও সার্চলাইট বসানো হবে। এসব ক্যামেরা বিআরটিএ ও পুলিশের কন্ট্রোল রুমের সঙ্গেও যুক্ত করা হবে, যেন কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং করা যায়।

সড়কে ফিটনেসবিহীন, লক্কড়-ঝক্কড় ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন চলাচল বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “এমন কোনো পরিবহন এবার সড়কে চলতে দেওয়া হবে না, যা যাত্রীদের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।”

ঈদযাত্রায় জ্বালানি সংকট না হয় সেজন্য ঈদের দিনসহ আগের সাতদিন ও পরের পাঁচদিন সার্বক্ষণিক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিএনজি ও ফিলিং স্টেশনগুলোকে।

পোশাক শিল্পসহ সব কলকারখানার মালিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যেন তাদের কর্মীদের পর্যায়ক্রমে ছুটি দেওয়া হয়, যাতে সবাই একসঙ্গে সড়কে নেমে চাপ না বাড়ায়।