bogra times cover image-1
ঢাকামঙ্গলবার , ৪ আগস্ট ২০২৬

শেরপুরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে ছয় মাস পর চলাচলের পথ ফিরে পেল ভাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

এনাম হকঃ-
আগস্ট ৪, ২০২৬ ৭:০২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:
দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস ধরে চলাচলের পথ নিয়ে ভোগান্তিতে থাকা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আবারও নির্বিঘ্নে বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সুযোগ পেয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন রাস্তা নির্মাণ হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের দুর্ভোগের অবসান হয়েছে।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের পাশের ভাটরা ইয়াছন্নেছা এবতেদায়ী মাদ্রাসার সঙ্গে চলাচলের রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রায় ছয় মাস আগে বিদ্যালয়ের সামনের পথটি দেয়াল নির্মাণ করে সংকুচিত করা হয়। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং শিক্ষক-অভিভাবকদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

গত ৩০ জুলাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান হিমু বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেন। এ সময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনের সময় শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সমস্যাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ইউএনও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর নির্দেশের পরদিনই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য নতুন রাস্তা নির্মাণ করা হয়। ফলে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয় এবং শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিকভাবে বিদ্যালয়ে আসা-যাওয়া শুরু করে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শামসুদ্দিন ফিজার বলেন, “খুব অল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন রাস্তা নির্মাণ করায় আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞ। এখন বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত হবে।”

প্রধান শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, “প্রায় ছয় মাস আগে বিদ্যালয়ের সামনের অংশে দেয়াল নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আন্তরিক উদ্যোগে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে পারছে। এজন্য উপজেলা প্রশাসন ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগকে ধন্যবাদ জানাই।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “শিক্ষার্থীদের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমস্যাটির দ্রুত সমাধান করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা যেন না থাকে, সে বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সবসময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”