bogra times cover image-1
ঢাকাবুধবার , ২৬ আগস্ট ২০২৬

স্বীকৃতি ও বৃত্তি চালুর দাবিতে শেরপুরে আদিবাসী ছাত্র পরিষদের মানববন্ধন

শেরপুর,বগুড়া প্রতিনিধি:-
আগস্ট ২৬, ২০২৬ ১১:০০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা বৃত্তি পুনরায় চালু এবং পড়াশোনা শেষে চাকরির ব্যবস্থা করার দাবিতে বগুড়ার শেরপুরে মানববন্ধন হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা ১১টায় উপজেলা চত্বরে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সমতলের আদিবাসীরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে রয়েছে। বগুড়ার শেরপুরে তুরি, মাহাতো, বাগদী, সাঁওতাল, ভূমিজ, তেলী, বর্মণ, কোচ, মুসহর ও গঞ্জুসহ ১৫টির বেশি আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তবে এসব জনগোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চা ও সংরক্ষণের জন্য এলাকায় কোনো আদিবাসী কালচারাল একাডেমি নেই।

বক্তারা বলেন, আদিবাসী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বৃত্তি পুনরায় চালু করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে পড়াশোনা শেষে তাঁদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এসব দাবির পাশাপাশি আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিরও দাবি জানান তাঁরা।

মানববন্ধনে সাগর কুমার সিংয়ের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন আদিবাসী ছাত্র পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি সুজন কুমার রাজভর। বক্তব্য দেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি সন্তোস সিং বাবু, সহসভাপতি যুগেশ সিং, সাধারণ সম্পাদক স্বপন চন্দ্র কর্ণিদাস, শেরপুর উপজেলা কমিটির সভাপতি স্বপন সিং, সাধারণ সম্পাদক হিরালাল সিং, নন্দীগ্রাম উপজেলা কমিটির সভাপতি গৌতম চন্দ্র মাহাতো, শেরপুর উপজেলার উপদেষ্টা রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক লিটন হক, ধুনট উপজেলার আদিবাসী নেতা পূর্ণ চন্দ্র রায় ও সুবধন চন্দ্র সরকার।

এ ছাড়া আদিবাসী ছাত্র পরিষদ জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি উত্তম কুমার সিং, উপজেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি বিপ্লব কুমার মাহাতো, সহসভাপতি সোহাগ কুমারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।

মানববন্ধন থেকে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ বগুড়া জেলা কমিটির বর্তমান সাংগঠনিক কাঠামো ও কমিটি বহাল থাকা অবস্থায় নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

জেলা কমিটির সভাপতি সুজন কুমার রাজভর বলেন, ‘আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটি আদিবাসী ছাত্রসমাজের অধিকার, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐক্য ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একটি সাংগঠনিক প্ল্যাটফর্ম। ব্যক্তিগত স্বার্থ, পদ-পদবি কিংবা প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সংগঠনকে বিভক্ত করার যেকোনো উদ্যোগের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

এ বিষয়ে জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাগর কুমার সিং ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিত্য মালোও তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।