bogra times
ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি আইন অনুমোদন

নিউজ ডেস্কঃ-
জানুয়ারি ১৫, ২০২৬ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিউজ ডেস্কঃ 

অন্তর্বর্তী সরকারের আইনবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নির্ধারণ আইন অনুমোদন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলাগুলো সরকার প্রত্যাহার করবে। এ ধরনের ঘটনায় নতুন করে কোনো মামলা গ্রহণ করা হবে না। একই সঙ্গে গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে দেশের কোথাও মামলা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তবে ওই সময় ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে কোনো হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকলে তার বিচার হবে বলে স্পষ্ট করেন অধ্যাপক আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযোগ মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করবে এবং তাদের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে, ৮ জানুয়ারি নিজের ফেসবুক পোস্টে আইন উপদেষ্টা জানান, ‘দায়মুক্তি অধ্যাদেশ’-এর খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের যোদ্ধাদের ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের হাত থেকে সুরক্ষা দেওয়া এবং তাদের প্রতিরোধমূলক ভূমিকার স্বীকৃতি দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, জুলাই যোদ্ধারা জীবন বাজি রেখে দেশকে ফ্যাসিস্ট শাসন থেকে মুক্ত করেছেন। আন্দোলনের সময় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার খুনিদের বিরুদ্ধে চালানো প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের দায়মুক্তি পাওয়ার অধিকার রয়েছে। এ ধরনের আইন প্রণয়ন আন্তর্জাতিকভাবেও স্বীকৃত বলে দাবি করেন তিনি। উদাহরণ হিসেবে আরব বসন্তসহ বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুত্থানের পর বিপ্লবীদের সুরক্ষায় গৃহীত আইনের কথা উল্লেখ করেন।

সংবিধানগত বৈধতার প্রসঙ্গ টেনে অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে দায়মুক্তি আইন প্রণয়নের সুস্পষ্ট সুযোগ রয়েছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ১৯৭৩ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের পর মুক্তিযোদ্ধাদের সুরক্ষায়ও অনুরূপ আইন করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীরদের সুরক্ষা দেবে রাষ্ট্র।