bogra times Add
ঢাকাশুক্রবার , ৬ মার্চ ২০২৬

নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের রাজসাক্ষী রিজওয়ানা হাসান: জামায়াত নেতা ডা. তাহের

নিউজ ডেস্কঃ-
মার্চ ৬, ২০২৬ ১০:০২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

নিউজ ডেস্কঃ-: গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’য়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে প্রধান দল হিসেবে আসতে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির নায়েবে আমির ও বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের এমপি। তিনি সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে এ ঘটনার ‘রাজসাক্ষী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মগবাজারের জামায়াত কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, “আমরা ১২ ফেব্রুয়ারির ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের একজন রাজসাক্ষী পেয়েছি সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে। তিনি সাংবাদিকদের সামনে বলেছেন, ‘যারা নারীদের উপযুক্ত অধিকার নিশ্চিত করতে পারে নাই, তারা বিরোধী দলে থাকলেও আমরা কিন্তু তাদের মূলধারার বা প্রধান শক্তি হিসেবে আসতে দেইনি।’ তাহলে বোঝা যায়, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের যে কথা আসছিল, সেটা তিনি নিজেই স্বীকার করে রাজস্বাক্ষী হয়েছেন।”

জামায়াত নেতা বলেন, আমরা এখন তার কাছে, তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার ও আজকের সরকারের কাছে জানতে চাই—কী ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারার দল হিসেবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে বাধাগ্রস্ত করা হয়েছে? এই ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে তার সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিল? পুরো সরকার জড়িত ছিল, নাকি একটি শক্তিশালী অংশ জড়িত ছিল?

তিনি অভিযোগ করেন, “তাদের ডিজাইন অনুসারে ডিসি, এসপি, টিএনও, ওসি, প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করে তাদের কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় একটি দলকে জেতানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। জাতির কাছে এটা স্পষ্ট করতে হবে।”

বর্তমান সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে ডা. তাহের বলেন, “রিজওয়ানা হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো পরিস্থিতি জানতে হবে, আমাদের জানাতে হবে এবং দেশবাসীর কাছে এটা পরিষ্কার করতে হবে।”

ডা. তাহের আরও বলেন, “আমরা নির্বাচনের আগেও কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলাম। তাদের মধ্যে দুজনের নাম প্রকাশ করে বলছি—একজন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আরেকজন হলেন খলিলুর রহমান।”

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, “ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে অফিশিয়াল প্রস্তাব পাওয়ার পর আমরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব। তবে এ ক্ষেত্রে জুলাই সনদ পুরো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে কি না, সেটার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।”

প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি এবং কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।