bogra times Add
ঢাকাসোমবার , ১২ জানুয়ারি ২০২৬

বাণিজ্য নীতিতে ব্যাপক সংস্কার: আমদানি নীতি আদেশ চূড়ান্ত

নিউজ ডেস্কঃ-
জানুয়ারি ১২, ২০২৬ ১:৪৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি ২০২৬: একটি অধিকতর উদার, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাণিজ্য নীতি ও বাণিজ্যিক আইনে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন করছে অন্তর্বর্তী সরকার। এর অংশ হিসেবে ‘আমদানি নীতি আদেশ’ (আইপিও) সংশোধনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা বলেন, “এই সংস্কারগুলোর মূল উদ্দেশ্য হলো লেনদেনের প্রক্রিয়াগুলো সহজ করা এবং বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্টের শর্তগুলো সমন্বয় করা। এই সংশোধনী খুব শিগগিরই, সম্ভবত আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।”

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনি কাঠামোকে যুগোপযোগী করতে কোম্পানি আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ (প্রতিযোগিতা আইন) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনের সংশোধনী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বাণিজ্য খাতে কাঠামোগত, প্রক্রিয়াগত এবং সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এর সব উইং সম্মিলিতভাবে কাজ করছে বলে জানান উপদেষ্টা।

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিদিনের ছোটখাটো দ্বিপাক্ষিক ঘটনাগুলো সাধারণত বৃহত্তর বাণিজ্য গতিশীলতায় প্রভাব ফেলে না। গত বছর মে মাসে ভারতীয় বন্দর বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের রপ্তানি কমলেও সরকার কোনো পাল্টা ব্যবস্থা নেয়নি।

পাট রপ্তানিতে বিধিনিষেধের বিষয়ে উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন, এ ধরনের অভ্যন্তরীণ নীতি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও স্থানীয় সরবরাহ বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্য অংশীদারকে লক্ষ্য করে নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো বিশেষ বাণিজ্য পরিস্থিতি জাতীয় অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী উদার বাণিজ্য নীতির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ।

রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ১৯ জানুয়ারি অংশীজনদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান বাণিজ্য উপদেষ্টা। এই সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান মজুত, আমদানি পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

(সূত্র: বাণিজ্য উপদেষ্টার কার্যালয় ও সচিবালয় সূত্র)